স্বাগতম। আপনি এই ব্লগের counter তম পাঠক

অনান্য লেখা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অনান্য লেখা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২৬ এপ্রি, ২০১০

আমার বাংলা ব্লগিং

HTML clipboardআমি ব্লগিং করি সেই ২০০৫ সাল থেকে। প্রথম লেখা শুরু ব্লগ.কম এ। এখন লিখছি তিনটি সাইটে। দুইটি কমিউনিটি ব্লগিং সাইট এবং একটি আমার নিজস্ব সাইট। সাইট গুলোতা আমার পেজের লিঙ্কগুলো দিলাম। আশা করি পড়বেন এবং মন্তব্য করবেন।
১. ব্লগার.কম এ আমার ব্লগ
২. সামহোয়্যার ইন এ আমার ব্লগ
৩. টেকটিউনস এ আমার ব্লগ


২৫ এপ্রি, ২০১০

আমার বাংলা ব্লগ এবং দুইটি সাইটের ranking

আমি ব্লগ লেখা শুরু করি ২০০৫ সাল থেকে। তখন somewhereinblog ছিল কিনা জানি না। আমি ব্লগ ডট কম এ লিখতাম এবং লেখাগুলো ছিল ইংরেজিতে। তারপর একাউন্ট করলাম somewhereinblog এবং ব্লগার এ।
২০০৬ সালে somewhereinblog এ একাউন্ট খুলেছি কিন্তু বাংলা লিখতে পারতাম না এবং আমার নেট ও কম্পিউটার ছিল না , তাই আমার জন্য বাংলায় লেখালেখি কঠিন ছিল। তাই এখানে ১৬টি পোষ্ট দিয়েছিলাম মুলত কপি পেষ্ট করে। তিন বছর ইংরেজিতে ব্লগ ডট কমে লেখার পর ব্লগারে লেখা শুরু করলাম। তখনো লিখলাম সেই ইংরেজিতে। ২০০৮ সালের শেষের দিকে বাংলা লেখা শিখলাম অভ্র দিয়ে। তখনো আমার কম্পিউটার ছিল না এবং ক্যাফেতে অভ্র না থাকায় বাংলা ব্লগ লিখতে পারতাম না। অতঃ পর কম্পিউটার ও নেট নেওয়ার পর ২০০৯ সালে বাংলা লেখায় নিয়মিত হই। সেই সাথে যারা ক্যাফেতে গিয়ে ইউনিকোড বাংলা লিখতে সমস্যায় পড়েন তাদের জন্য বাংলা লেখার একটি ওয়েবসাইট বানাই। ব্লগারে আমার আগের সব লেখা গুলা প্রতিস্থাপন করি। আর এখন ইংরেজিগুলা বাংলায় অনুবাদের কাজ করছি।
আমি যখন ব্লগ লেখা শুরু করি তখন ফেসবুক ও ছিল না। এখন মাঝেমাঝে ফেসবুকে আমার ব্লগের লিংক দেই এবং হাজার খানিক বন্ধুর কল্যাণে আমার ব্লগটির পাঠক দিন দিন বাড়ছে। তাই হঠাৎ আজ এলেস্কাতে আমার ব্লগ ও বাংলা লেখার সাইটের র‌্যাংকিং দেখে আমিতো অবাক। আমার ব্লগের র‌্যাংকিং ৯৭৭৮৭৯৫তম এবং বাংলা লেখার সাইটের র‌্যাংকিং ৩৫৮৪৮৭৪তম। যদিও অনেক খারাপ অবস্থান তারপর ও দেখে ভালো লাগলো। আমি আশা করছি যে খুব তাড়াতাড়ি ভালো অবস্থানে যাবে।
ও আর একটা কথা আমি somewhereinblog এ আবার লেখা শুরু করেছি ৪ বছর পর। আশা করি আমার সাইট দুইটা দেখে মন্তব্য করবেন। 
লেখাটি একইসাথে  প্রকাশিত হয়েছে  somewhereinblog এ

৩১ ডিসে, ২০০৯

বিদায় ২০০৯

একটি বছর। মহাকাল নামের এক অন্তহীন মরুভূমির বুকে যেন এক ফোঁটা জল। আজ মহাকাল সেভাবেই মুছে দেবে ২০০৯কে। জীর্ণ ঝরাপাতার মতো ঝরে যাবে বিদায়ী বছরের ক্যালেন্ডারও। আজ মধ্যরাতের প্রথম প্রহরে সূচিত হবে আশার আলোয় উদ্ভাসিত নতুন বছর ২০১০। কিন্তু বাস্তবে মহাকালের ওপার থেকে আমাদের আকাঙ্ক্ষার মতো সুন্দর সম্ভাবনায় নতুন বছরটি উদ্ভাসিত হবে কি-না জানা নেই। তবে যে বছরটি বিদায় নিচ্ছে আজ রাত ১২টার পর, সেই বিদায়ী বছরে যা পাইনি, তার জন্য যতই হাহাকার জেগে থাক না কেন, কালের অনন্ত যাত্রায় নতুনের কাছে নতুন প্রত্যাশা শিশিরভেজা পত্রপল্লবের মতো চিরদিন মানব হৃদয়ে জেগে থাকে বলেই জীবন নিরন্তর প্রবহমান। সেই বহমান স্রোতে এগিয়ে যেতে যেতেও পেছন ফিরে বিষণ্ন বেদনায় দেখে নিতে ইচ্ছে করে চলে গেল যে, তারই দিকে। অস্ফুট স্বরে যেন মন বলে ওঠে আজ বিদায় ২০০৯।
বিদায়ী বছরটি প্রাপ্তি আর অপ্রাপ্তির দোলাচলে নিয়েছে অনেক কিছু। চিরবিদায় নিয়েছেন দেশের অনেক বরেণ্য কৃতিমান সন্তান। কিন্তু দিয়েছেও কি খুব কম? এই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে ২০০৯ নানা কারণেই স্মৃতির পাতায় উজ্জ্বল হয়ে থাকবে। দীর্ঘ দু'বছরের সেনাসমর্থিত অনির্বাচিত সরকারের বৃত্ত ভেঙে বাংলাদেশ এ বছরের প্রথম মাসের প্রথম সপ্তাহেই ফিরেছে গণতন্ত্রে। এক কথায় বললে বলতে হয় ২০০৯ গণতন্ত্রে ফেরার বছর। ২০০৮-এর ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট তিনশ' আসনের মধ্যে আড়াইশ'রও বেশি আসনে বিজয়ী হয়ে ৬ জানুয়ারি গঠন করে সরকার। গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তনের এই আনন্দের পাশে বিপন্নতার ভয়াল স্মৃতি হয়ে জেগে থাকবে ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহের অর্ধশতাধিক সেনাকর্মকর্তার মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনাও। নিঃসংশয়ে বছরের সবচেয়ে বড় ঘটনা, এমনকি সরকারের অস্তিত্ব বিপন্ন করার মতো ভয়াল ঘটনা হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে পিলখানার বিডিআর সদর দফতরের এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। আইলার ছোবলে বিক্ষত দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় জনপদের মানুষের কাছে ২০০৯-এর একটা দীর্ঘ সময়ই কেটেছে পুনর্বাসনের সংগ্রামে, কষ্টে।

২৬ ডিসে, ২০০৯

নববর্ষের প্রথম মুহূর্তও আসবে দুইবার

নতুন বছর ২০১০ কে বরণ করতে গিয়ে এবার এক অভিনব অভিজ্ঞতা হবে বাংলাদেশের। বছরের শেষ দিন মধ্যরাত থেকে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে যাবে বলে বারোটা বাজবে দুইবার। আর ইংরেজি কায়দায় মধ্যরাত পার হতে নতুন বছরকে আবাহনও করতে হবে দুইবার। যারা আনন্দ-উচ্ছ্বাসে থার্টি ফার্স্ট পালনের আয়োজন করছেন তাদের জন্য এবার হয়তো তাই ডাবল আনন্দ। কোনটা আসল মধ্যরাত সে নিয়ে একটু তর্ক-বিতর্ক হওয়াটাও আশ্চর্যের নয় হয়তো। খবর বিডিনিউজের। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩১ ডিসেম্বর রাত ঠিক ১২টায় ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে সময় সমন্বয় করা হবে। সে হিসাবে ৩১ তারিখ পার হয়ে ১ জানুয়ারি ২০১০ শুরুর সঙ্গে সঙ্গে দেশবাসী ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেবেন। ঘড়িতে তখন আবার ১১টা। অর্থাৎ ১ ঘণ্টা পরেই আরেক দফা নববর্ষের সূচনালগ্ন!
আতশবাজি, বেলুন আর ফুলও হয়তো কিনতে হবে দুদফার কথা মাথায় রেখেই। কিন্তু এক যাত্রায় দুবার নতুন বছর পাবার ভাগ্য তো রোজ রোজ জোটে না!

২২ নভে, ২০০৯

ঈদ এবং কিছু অনুভূতি

২৮ শে নভেম্বর ঈদ-উল-আযহা । আজ রবিবার গ্রামের বাড়ী যাচ্ছি। ঈদ মানেই খুশি, ঈদ মানেই আনন্দ। প্রতি ঈদে বাড়ি যায় আবার ফিরে আসি। এটা প্রায় একঘেয়েমি হয়ে গেছে। প্রতি ঈদ প্রায় এক রকম কাটে। একই ঘটনা বারবার ঘটে। তবে মামা বিয়ে করার পর থেকে ঈদের দিন একটু অন্য রকম কাটে। আমরা ভাই,বোনেরা মামার সাথে মামী বাড়ি যায়। ঈদে উল্লেখযোগ্য ঘটনা বলতে এটাই, যেটা ঘটে বারবার। যাহোক ঈদ মোটামুটি ভাল কাটে। তবে একটা ব্যাপারে মনটা অনেক বেশী অস্থির থাকে। যেমন গত বছর রোযার ঈদ এ অনেককে কল দিলাম, sms দিলাম তেমন কোন সাড়া পাইনি। অনেক রাগ হলো , পরের ঈদে তেমন কাউকে শুভেচ্ছা জানাইনি। এভাবেই ক্রমিক সংখ্যার মত ঈদ আসে ঈদ যায়। নদীর মত জীবন বয়ে চলে। অনুভূতিতে পলি জমে, বালি জমে কিন্তু জীবন স্রোত থেমে থাকে না। আবারও ঈদ আসে, অনুভূতিতে আবারো সাড়া জাগে। ভালো লাগা কোন কন্ঠ আবারো কানে বাজে, পুরনো হারানো সুর আবার নতুন নতুন মনে হয়। তবে বেশী দিন স্থায়ী হয় না। ঢাকায় আসার পর আবার সব কিছু ফাঁকা ফাঁকা লাগে। ট্রাফিক জ্যামে, গাড়ির শব্দে সব সুর হারিয়ে যায়। আবারো সেই পুরনো আমি হয়ে যায়। গত রোজার ঈদে ভাবলাম আমি কাঊকে ফোন দিবো না। আমার ব্যাথাহত হৃদয়ে কারোর ফোন পাওয়ার আশা ছিল ক্ষীণ। ভাবলাম হাতে গোনা কয়েকজন বন্ধুকে কল দিব, দেখি বাকিরা কি করে। আমি সারাদিন যাদের কলের অপেক্ষায় থাকলাম তারা কেঊ ফোন দিল না। আমাদের বিশ্বজিৎ দাদা জাপান থেকে কল দিল। আহ কি কী যে ভালো লাগলো । তারপর আরো একটি কল আসলো আমার ভার্সিটির বান্ধবী উর্মির কাছ থেকে যার সাথে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়। এভাবে অপ্রত্যাশিত ঘটনাগুলো ঘটে কোন কারন ছাড়ায়, জীবন চলে যায় কোন নিয়ম ছাড়ায়। এবারো ঈদে আমি আমার বিশেষ নির্বাচিত ব্যাক্তদের ফোনের অপেক্ষায় থাকবো, যাদের ফোন দেওয়া সম্ভব তাদের ফোন দিব। ঈদের দিন আমার ভার্সিটির বন্ধুরা, আমার তাসনুভা আপু, ক্লাইমেক্স, নিপ্পন,বাসন্তি (ছদ্দনাম), কামরুল, জাবির,উর্মি, ছোট ভাই-বোন আলামিন, তনু, জয় , আক্তার ও অন্যানেদের খুব মিস করবো। বিশেষ কারোর কল না পেয়ে হয়তো সারাদিন মন খারাপ থাকবে। তারপরও হাজারো পরিচিতোর মাঝে হয়তো কারোর কল পেয়ে মনটা খুশিতে ভরে যাবে, ক্ষনস্থায়ী সুখের মাঝে আমি ডুব দিব। এটায় আমার ঈদের অনুভূতি, আমার অনুভুতির নেটওয়ার্ক।

১৯ জুল, ২০০৯

Plan for life

Plan is very essential to obtain our life perfectly. Suppose we have to do a work. At first we have to be well determined, then we have to make plan. Plan means think of some successive steps by which we can do the work easily and successfully. If we do any work step by step we can finish the work without hard labour. Plan full process makes any hard work easy and we got a nice result from the work. Our life depends on results of our daily works. So we have to operate our daily activities by plan. Life is short but art is long. We have to face many problems and limitations to lead our practical life. For example if we want to start any business we need capital and labour. We have to invest the capital carefully and plan fully. Otherwise capital will be lost and we don’t get any profit. Moreover we have many works to do but we have not enough time. We have to utilize the importance of time and plan. Then we could finish every work perfectly in our life. So to be happy in life we will plan before every work.

শেয়ার করুন

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More