স্বাগতম। আপনি এই ব্লগের counter তম পাঠক

সাম্প্রতিক কর্মকান্ড লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সাম্প্রতিক কর্মকান্ড লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২০ জুল, ২০১১

১০০ দিনের বিশেষ কর্মসূচী ঘোষনা করলাম

অবশেষে আমার পূর্বপরিকল্পিত বহুল প্রতিক্ষিত ১০০ দিনের বিশেষ কর্মসূচী শুরু করতে যাচ্ছি। আজ ১২টা ১ মিনিটে উদ্বোধন করলাম। বিস্তারিত এখন লিখছি না। তবে ১০০ দিনের হিসাব দিচ্ছি।

জুলাই ২০ - ৩১ তারিখ =   ১২ দিন
আগষ্ট ১ - ৩১ তারিখ =      ৩১ দিন
সেপ্টম্বর ১ - ৩০ তারিখ =  ৩০ দিন
অক্টোবর ১ - ২৭ তারিখ =  ২৭দিন
----------------------------------------
সর্বোমোট                   =  ১০০ দিন

এই বিশেষ কর্মসূচীর উদ্দেশ্য হচ্ছে নিয়মিত পড়ালেখা করা এবং টেনশন ফ্রি থাকা। পহেলা নভেম্বর আমার ১০০ দিনের কর্মসূচীর রিপোর্ট দিব।

২৬ এপ্রি, ২০১১

যশোর নিউজের ডোমেন নেম বন্ধ হয়ে গেল

শুধু মাত্র ডোমেন কেনার কারনে এবং একই কোম্পানি থেকে হোস্টিং না নেওয়ার কারনে www.jessorenews.net ডোমেনটি বন্ধ হয়ে গেল। সাইটটা চালু রাখা জরুরী তাই ব্লগেই চালু রাখতে হচ্ছে। নতুন ডোমেন না পাওয়া পর্যন্ত এভাবেই চলবে আপাতত। আশা করি কয়েক মাসের মধ্যেই আবার নতুন ডোমেন এ নতুনভাবে সাইটটি চালু করতে পারবো। বর্তমান ঠিকানা হচ্ছে
http://jessorenews.blogspot.com

২৩ নভে, ২০১০

যশোর নিউজের ডায়েরী থেকে

পরিকল্পনা এবং কাজ শুরুঃ ২২ অক্টোবর ২০০০৯
পরীক্ষামুলক যাত্রা শুরুঃ ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১০
প্রথম মিটিং: ২২ অক্টোবর, ২০১০ স্থানঃ বসুন্ধরা সিটি
দ্বিতীয় মিটিং: ২৯ অক্টোবর, ২০১০। স্থানঃ অপরাজেয় বাংলা , ঢা.বি
তৃতীয় মিটিং: ০৫ নভেম্বর, ২০১০। স্থানঃ টি.এস.সি, ঢা.বি
চতুর্থ মিটিং: ১২ই নভেম্বর, ২০১০। স্থানঃ এ.বি.এইস অফিস, কলাবাগান
পঞ্চম মিটিং: ১৫ই নভেম্বর, ২০১০। স্থানঃ চুয়াডাংগা বাস স্ট্যান্ড, যশোর।

২৯ অক্টো, ২০১০

যশোর নিউজের দ্বিতীয় সভা

আজ আমি, বাবুল ও আলামিনসহ কয়েক জন অপরাজেয় বাংলাতে যশোর নিউজ নিয়ে অনেক আলোচনা করলাম। আশা করি আমরা অনেক দূর আগাতে পারবো।

২৫ এপ্রি, ২০১০

আমার বাংলা ব্লগ এবং দুইটি সাইটের ranking

আমি ব্লগ লেখা শুরু করি ২০০৫ সাল থেকে। তখন somewhereinblog ছিল কিনা জানি না। আমি ব্লগ ডট কম এ লিখতাম এবং লেখাগুলো ছিল ইংরেজিতে। তারপর একাউন্ট করলাম somewhereinblog এবং ব্লগার এ।
২০০৬ সালে somewhereinblog এ একাউন্ট খুলেছি কিন্তু বাংলা লিখতে পারতাম না এবং আমার নেট ও কম্পিউটার ছিল না , তাই আমার জন্য বাংলায় লেখালেখি কঠিন ছিল। তাই এখানে ১৬টি পোষ্ট দিয়েছিলাম মুলত কপি পেষ্ট করে। তিন বছর ইংরেজিতে ব্লগ ডট কমে লেখার পর ব্লগারে লেখা শুরু করলাম। তখনো লিখলাম সেই ইংরেজিতে। ২০০৮ সালের শেষের দিকে বাংলা লেখা শিখলাম অভ্র দিয়ে। তখনো আমার কম্পিউটার ছিল না এবং ক্যাফেতে অভ্র না থাকায় বাংলা ব্লগ লিখতে পারতাম না। অতঃ পর কম্পিউটার ও নেট নেওয়ার পর ২০০৯ সালে বাংলা লেখায় নিয়মিত হই। সেই সাথে যারা ক্যাফেতে গিয়ে ইউনিকোড বাংলা লিখতে সমস্যায় পড়েন তাদের জন্য বাংলা লেখার একটি ওয়েবসাইট বানাই। ব্লগারে আমার আগের সব লেখা গুলা প্রতিস্থাপন করি। আর এখন ইংরেজিগুলা বাংলায় অনুবাদের কাজ করছি।
আমি যখন ব্লগ লেখা শুরু করি তখন ফেসবুক ও ছিল না। এখন মাঝেমাঝে ফেসবুকে আমার ব্লগের লিংক দেই এবং হাজার খানিক বন্ধুর কল্যাণে আমার ব্লগটির পাঠক দিন দিন বাড়ছে। তাই হঠাৎ আজ এলেস্কাতে আমার ব্লগ ও বাংলা লেখার সাইটের র‌্যাংকিং দেখে আমিতো অবাক। আমার ব্লগের র‌্যাংকিং ৯৭৭৮৭৯৫তম এবং বাংলা লেখার সাইটের র‌্যাংকিং ৩৫৮৪৮৭৪তম। যদিও অনেক খারাপ অবস্থান তারপর ও দেখে ভালো লাগলো। আমি আশা করছি যে খুব তাড়াতাড়ি ভালো অবস্থানে যাবে।
ও আর একটা কথা আমি somewhereinblog এ আবার লেখা শুরু করেছি ৪ বছর পর। আশা করি আমার সাইট দুইটা দেখে মন্তব্য করবেন। 
লেখাটি একইসাথে  প্রকাশিত হয়েছে  somewhereinblog এ

২০ এপ্রি, ২০১০

গ্রুপ ও নেটওয়ার্ক

আমি ফেসবুকে কয়েকটা গ্রুপ ও নিং.কম এ কয়েকটা নেটওয়ার্ক খুলেছি। একই মতাদর্শ এবং কর্মকান্ডে জড়িত এমন সব ব্যক্তিদের জন্য আমি গ্রুপ ও নেটওয়ার্ক গুলো তৈরী করেছি। কোন গ্রুপের সদস্য সংখ্যা ১০০০ ছাড়িয়ে গেছে। আপনিও আমার গ্রুপ , নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হতে পারেন সহজেই। তাই দেরি না করে এখনই গ্রুপ ও নেটওয়ার্কে সদস্য হতে আলাদাভাবে ক্লিক করুন।
HTML clipboard



২৪ জানু, ২০১০

আমিও একজন টেকটউনার

অবশেষে আমিও লেখা শুরু করলাম, এতদিন শুধু টেকটিউন্স পড়তাম। আজ আমার প্রথম লেখা প্রকাশ হলো। তাই খুব ভাল লাগলো। আমার লেখার বিষয় হল - পিডিএফ ফাইল বানান, কাটুন এবং জোড়া লাগান । আমি সব সময় বিজ্ঞান বিষয়ক লেখা পড়তে ভালবাসি, এ ভালবাসা থেকেই লিখতেও উৎসাহিত হলাম। যাহোক আজ আমার অন্যতম একটা স্মরনীয় দিন।

১১ জানু, ২০১০

ভার্সিটিতে অন্যরকম একদিন

আজ ভার্সিটিতে যেতে চাচ্ছিলাম না, আনোয়ার, সাদ্দাম ওরা যেতে বললো আগামীকাল; তারপরও উর্মির অনুরোধে গেলাম। যাওয়ার সময় সাথে পেলাম হাসান ভাইকে, তাই একসাথেই গেলাম। প্রথমে গেলাম ব্যাংকে টাকা জমা দিতে, সেখানে লম্বা লাইন। আমি দাড়ালাম ছেলে আর মেয়েদের লাইনের মাঝে একটা অঘোষিত লাইনে। সেজন্য ভাবলাম আমরা হয়তো একটু পরেই লাইন থেকে অবানঞ্চিত ঘোষিত হব, বন্ধুদের বললাম যে তোরা জমা দে আমি আজ টাকা জমা দেবো না। উর্মিকে কল দিলাম, ধরেনা। যখন ধরলো তখন তারা একজন বিদেশী অতিথিকে স্বাগত জানানোর জন্য অপেক্ষা করছে যিনি বাসদের আমন্ত্রনে এখানে এসেছেন। অতিথির সাথে আমরা কিছুক্ষন কাটানোর পর হাসান ভাইকে খুজতে বাধন অফিসে গেলাম, উর্মি বললো সে তার একবন্ধুকে খুজছে। ওরা বিএনসিসি করে, ১০ মার্ক পাওয়ার জন্য স্যারের কাছে যাবে। বন্ধুকে খুজতে গেল সাংস্কৃতি কেন্দ্রে। আমিও কিছুক্ষণ পরে গেলাম। যাওয়ার পর আমাদের ম্যাথের রিপনের সাথে দেখা হল, ওরা সবাই মেজেতে বিছানা পেতে গান এর রেওয়াজ করছিল। ভাল লাগলো ওদের এ ব্যবস্থাটা। গান শুনলাম একটা, তারপর আবার ব্যাংকে গিয়ে টাকা জমা দিয়ে গেলাম রসায়ন বিভাগে। সেখানে উর্মির কাজ শেষে বাইরে এসে আমরা চা খেলাম এবং তারপর বিদায় নিলাম।

১ জানু, ২০১০

ঘটনাপ্রবাহ ২০০৯

ঘটনাবহুল আরেকটি বছর ২০০৯ চলে গেল। দেশের আঙ্গিনায় মহাজোট সরকারের ক্ষমতায় আসা, পিলখানা ট্রাজেজি, ডে-লাইট সেভিং ধারনার প্রবর্তন এসব ঘটনার পাশাপাশি ছিল আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুর ছড়াছড়ি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সবচেয়ে বড় ঘটনাটি ছিল কৃঞ্চাঙ্গ প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমেরিকার ক্ষমতায় আরোহন। এছাড়াও মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যু, জলবায়ু নিয়ে বিশ্বজনমত, এবং মুসলিম বিশ্বের প্রতি ওবামার ভাষন এসব বিষয়ও ছিল আলোচনার কেন্দ্রে। এসব ঘটনার সমাহার আমাদের এই সালতামামি রচনা। এই রচনায় ২০০৯ এর গুরুত্বপূর্ন ঘটনাগুলোকে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হয়েছে। মূলত দেশ ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে আমাদের আলোচনার পরিধি।

স্বাগতম ২০১০

স্বাগত ২০১০। আজ নতুন বছরের প্রথম দিন। শুভ নববর্ষ। কালের গর্ভে গতকাল হারিয়ে গেছে আরও একটি বছর। নানা ঘটনা আর ইতিহাস পেছনে ফেলে শুর্ব হলো নতুন বছরের দিনপঞ্জি। গত রাত ১২টায় সূচিত হলো নতুন বছরের নতুন প্রত্যাশার দিগন্ত। পুরনো বছরের না পাওয়ার সব গ্লানি আর ব্যর্থতাকে পেছনে ফেলে সাফল্য আর প্রাপ্তির প্রত্যাশায় বিশ্ববাসীর শুর্ব হলো নতুন যাত্রা। গত রাতে জিরো আওয়ারে সারা বিশ্বের সব প্রান্তের মানুষ নানা আয়োজনে উৎসবের আমেজে বরণ করেছে ইংরেজি নতুন বছর ২০১০ সালকে। বর্ষবরণের উৎসবে মেতে উঠেছিল রাজধানী ঢাকাও। সব শোক, বেদনা আর হতাশা পেছনে ফেলে আজ আশায় বুক বাঁধার দিন। স্বপ্ন ও প্রত্যয়ে উদ্ভাসিত হওয়ার দিন। নতুনের আবাহনে পুরনোকে ঝেড়ে ফেলে দেয়ার দিন। জীর্ণতার বেদিমূলে আঘাত করে প্রত্যয়ে জেগে উঠার শপথ নেয়ার দিন। নতুন বছরে সাফল্যে হেসে উঠুক সকলের জীবন। এই হোক আমাদের কামনা। শুভ নববর্ষ।

৩১ ডিসে, ২০০৯

বিদায় ২০০৯

একটি বছর। মহাকাল নামের এক অন্তহীন মরুভূমির বুকে যেন এক ফোঁটা জল। আজ মহাকাল সেভাবেই মুছে দেবে ২০০৯কে। জীর্ণ ঝরাপাতার মতো ঝরে যাবে বিদায়ী বছরের ক্যালেন্ডারও। আজ মধ্যরাতের প্রথম প্রহরে সূচিত হবে আশার আলোয় উদ্ভাসিত নতুন বছর ২০১০। কিন্তু বাস্তবে মহাকালের ওপার থেকে আমাদের আকাঙ্ক্ষার মতো সুন্দর সম্ভাবনায় নতুন বছরটি উদ্ভাসিত হবে কি-না জানা নেই। তবে যে বছরটি বিদায় নিচ্ছে আজ রাত ১২টার পর, সেই বিদায়ী বছরে যা পাইনি, তার জন্য যতই হাহাকার জেগে থাক না কেন, কালের অনন্ত যাত্রায় নতুনের কাছে নতুন প্রত্যাশা শিশিরভেজা পত্রপল্লবের মতো চিরদিন মানব হৃদয়ে জেগে থাকে বলেই জীবন নিরন্তর প্রবহমান। সেই বহমান স্রোতে এগিয়ে যেতে যেতেও পেছন ফিরে বিষণ্ন বেদনায় দেখে নিতে ইচ্ছে করে চলে গেল যে, তারই দিকে। অস্ফুট স্বরে যেন মন বলে ওঠে আজ বিদায় ২০০৯।
বিদায়ী বছরটি প্রাপ্তি আর অপ্রাপ্তির দোলাচলে নিয়েছে অনেক কিছু। চিরবিদায় নিয়েছেন দেশের অনেক বরেণ্য কৃতিমান সন্তান। কিন্তু দিয়েছেও কি খুব কম? এই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে ২০০৯ নানা কারণেই স্মৃতির পাতায় উজ্জ্বল হয়ে থাকবে। দীর্ঘ দু'বছরের সেনাসমর্থিত অনির্বাচিত সরকারের বৃত্ত ভেঙে বাংলাদেশ এ বছরের প্রথম মাসের প্রথম সপ্তাহেই ফিরেছে গণতন্ত্রে। এক কথায় বললে বলতে হয় ২০০৯ গণতন্ত্রে ফেরার বছর। ২০০৮-এর ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট তিনশ' আসনের মধ্যে আড়াইশ'রও বেশি আসনে বিজয়ী হয়ে ৬ জানুয়ারি গঠন করে সরকার। গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তনের এই আনন্দের পাশে বিপন্নতার ভয়াল স্মৃতি হয়ে জেগে থাকবে ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহের অর্ধশতাধিক সেনাকর্মকর্তার মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনাও। নিঃসংশয়ে বছরের সবচেয়ে বড় ঘটনা, এমনকি সরকারের অস্তিত্ব বিপন্ন করার মতো ভয়াল ঘটনা হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে পিলখানার বিডিআর সদর দফতরের এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। আইলার ছোবলে বিক্ষত দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় জনপদের মানুষের কাছে ২০০৯-এর একটা দীর্ঘ সময়ই কেটেছে পুনর্বাসনের সংগ্রামে, কষ্টে।

২৮ ডিসে, ২০০৯

আজ পবিত্র আশুরা

আজ ১০ মহররম পবিত্র আশুরা। বিশ্বের মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ দিন এটি। ইসলামের প্রথম যুগে কারবালা প্রান্তরে ঘটে যাওয়া এক মর্মন্তুদ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সারা বিশ্বের মুসলমানরা যথাযথ ধর্মীয় অনুভূতি ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে এ দিনটি পালন করে থাকেন। মুসলিম সাম্রাজ্যের খিলাফত নিয়ে ৬১ হিজরির ১০ মহররম (৬০৮ খ্রিস্টাব্দের অক্টোবর) মাসে ইয়াজিদের সঙ্গে হযরত মুহম্মদ (দ.)-এর দৌহিত্র ইমাম হোসেনের সংঘাতে এই বিয়োগান্তক ঘটনা ঘটে।
তবে কারবালার এই বিয়োগান্তক ঘটনা ছাড়াও পবিত্র কুরআনে এই দিনটিতে ঘটে যাওয়া আরো অনেক ঘটনার উল্লেখ পাওয়া যায়। ১০ মহররমেই আল্লাহ তার সৃষ্টি সম্পন্ন করেন। আদি পুর"ষ আদম(আ.) কে এদিনেই সৃষ্টি করা হয়। আল্লাহর হুকুম অমান্য করায় এদিনেই তাকে শাস্তিস্বরূপ দুনিয়ায় পাঠানো হয়। আবার কেয়ামত ও পৃথিবী এই দিনে ধ্বংস হবে বলেও উল্লেখ পাওয়া যায়। পবিত্র আশুরা কে সামনে রেখে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা নফল রোজা রাখাসহ এবাদত-বন্দেগি করে থাকেন। শিয়া মতাবলম্বী মুসলমান সম্প্রদায় ইমাম হোসেন স্মরণে তাজিয়া মিছিল বের করে।

২৬ ডিসে, ২০০৯

নববর্ষের প্রথম মুহূর্তও আসবে দুইবার

নতুন বছর ২০১০ কে বরণ করতে গিয়ে এবার এক অভিনব অভিজ্ঞতা হবে বাংলাদেশের। বছরের শেষ দিন মধ্যরাত থেকে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে যাবে বলে বারোটা বাজবে দুইবার। আর ইংরেজি কায়দায় মধ্যরাত পার হতে নতুন বছরকে আবাহনও করতে হবে দুইবার। যারা আনন্দ-উচ্ছ্বাসে থার্টি ফার্স্ট পালনের আয়োজন করছেন তাদের জন্য এবার হয়তো তাই ডাবল আনন্দ। কোনটা আসল মধ্যরাত সে নিয়ে একটু তর্ক-বিতর্ক হওয়াটাও আশ্চর্যের নয় হয়তো। খবর বিডিনিউজের। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩১ ডিসেম্বর রাত ঠিক ১২টায় ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে সময় সমন্বয় করা হবে। সে হিসাবে ৩১ তারিখ পার হয়ে ১ জানুয়ারি ২০১০ শুরুর সঙ্গে সঙ্গে দেশবাসী ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেবেন। ঘড়িতে তখন আবার ১১টা। অর্থাৎ ১ ঘণ্টা পরেই আরেক দফা নববর্ষের সূচনালগ্ন!
আতশবাজি, বেলুন আর ফুলও হয়তো কিনতে হবে দুদফার কথা মাথায় রেখেই। কিন্তু এক যাত্রায় দুবার নতুন বছর পাবার ভাগ্য তো রোজ রোজ জোটে না!

২১ ডিসে, ২০০৯

আমার ছোট ভাইয়ের বৃত্তি পরীক্ষা

আমার ছোট ভাই বিদ্যুতের আজ ও আগামীকাল জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা। পরীক্ষা হয়েছে শার্শায়।  জানি না ও কি করবে, বললো যে পরীক্ষা ভালো হয়েছে। সে খুব ফাকিবাজ, তাই তাকে নিয়ে আমরা খুব বেশী আশা করি না।

১৪ ডিসে, ২০০৯

শীতকালীন ছুটি - ২০০৯

ঈদের পর ভার্সিটি খুলেছে ৫ই ডিসেম্বর এবং ৭ তারিখ থেকে ইনকোর্স পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আবার ৩টা পরীক্ষা হওয়ার পর ১৪ তারিখ থেকে শীত কালীন ছুটি শুরু হয়েছে, শেষ হবে ৩১ তারিখে। আমার পরীক্ষা আবার শুরু ৭ জানুয়ারী থেকে।

২২ নভে, ২০০৯

ঈদ এবং কিছু অনুভূতি

২৮ শে নভেম্বর ঈদ-উল-আযহা । আজ রবিবার গ্রামের বাড়ী যাচ্ছি। ঈদ মানেই খুশি, ঈদ মানেই আনন্দ। প্রতি ঈদে বাড়ি যায় আবার ফিরে আসি। এটা প্রায় একঘেয়েমি হয়ে গেছে। প্রতি ঈদ প্রায় এক রকম কাটে। একই ঘটনা বারবার ঘটে। তবে মামা বিয়ে করার পর থেকে ঈদের দিন একটু অন্য রকম কাটে। আমরা ভাই,বোনেরা মামার সাথে মামী বাড়ি যায়। ঈদে উল্লেখযোগ্য ঘটনা বলতে এটাই, যেটা ঘটে বারবার। যাহোক ঈদ মোটামুটি ভাল কাটে। তবে একটা ব্যাপারে মনটা অনেক বেশী অস্থির থাকে। যেমন গত বছর রোযার ঈদ এ অনেককে কল দিলাম, sms দিলাম তেমন কোন সাড়া পাইনি। অনেক রাগ হলো , পরের ঈদে তেমন কাউকে শুভেচ্ছা জানাইনি। এভাবেই ক্রমিক সংখ্যার মত ঈদ আসে ঈদ যায়। নদীর মত জীবন বয়ে চলে। অনুভূতিতে পলি জমে, বালি জমে কিন্তু জীবন স্রোত থেমে থাকে না। আবারও ঈদ আসে, অনুভূতিতে আবারো সাড়া জাগে। ভালো লাগা কোন কন্ঠ আবারো কানে বাজে, পুরনো হারানো সুর আবার নতুন নতুন মনে হয়। তবে বেশী দিন স্থায়ী হয় না। ঢাকায় আসার পর আবার সব কিছু ফাঁকা ফাঁকা লাগে। ট্রাফিক জ্যামে, গাড়ির শব্দে সব সুর হারিয়ে যায়। আবারো সেই পুরনো আমি হয়ে যায়। গত রোজার ঈদে ভাবলাম আমি কাঊকে ফোন দিবো না। আমার ব্যাথাহত হৃদয়ে কারোর ফোন পাওয়ার আশা ছিল ক্ষীণ। ভাবলাম হাতে গোনা কয়েকজন বন্ধুকে কল দিব, দেখি বাকিরা কি করে। আমি সারাদিন যাদের কলের অপেক্ষায় থাকলাম তারা কেঊ ফোন দিল না। আমাদের বিশ্বজিৎ দাদা জাপান থেকে কল দিল। আহ কি কী যে ভালো লাগলো । তারপর আরো একটি কল আসলো আমার ভার্সিটির বান্ধবী উর্মির কাছ থেকে যার সাথে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়। এভাবে অপ্রত্যাশিত ঘটনাগুলো ঘটে কোন কারন ছাড়ায়, জীবন চলে যায় কোন নিয়ম ছাড়ায়। এবারো ঈদে আমি আমার বিশেষ নির্বাচিত ব্যাক্তদের ফোনের অপেক্ষায় থাকবো, যাদের ফোন দেওয়া সম্ভব তাদের ফোন দিব। ঈদের দিন আমার ভার্সিটির বন্ধুরা, আমার তাসনুভা আপু, ক্লাইমেক্স, নিপ্পন,বাসন্তি (ছদ্দনাম), কামরুল, জাবির,উর্মি, ছোট ভাই-বোন আলামিন, তনু, জয় , আক্তার ও অন্যানেদের খুব মিস করবো। বিশেষ কারোর কল না পেয়ে হয়তো সারাদিন মন খারাপ থাকবে। তারপরও হাজারো পরিচিতোর মাঝে হয়তো কারোর কল পেয়ে মনটা খুশিতে ভরে যাবে, ক্ষনস্থায়ী সুখের মাঝে আমি ডুব দিব। এটায় আমার ঈদের অনুভূতি, আমার অনুভুতির নেটওয়ার্ক।

৬ নভে, ২০০৯

আমার লেখালেখি আবার শুরু

বহুদিন ব্লগ লেখা হয় না । আর বাংলা তো লেখায় হয় না। তবে আজ থেকে লিখবো । আমার নিজের কথা, তাদের কথা, তোমাদের কথা। তোমাদের মধ্যে থেকে হয়তো কেউ কেউ আমার জীবন থেকে হারিয়ে যাবে কিন্তু তোমাদের নিয়ে লেখা কখনো হারিয়ে যাবে না। তোমরা বেচে থাকবে লেখার মাঝে। আজ থেকে দুইটা বিষয়ের উপর লিখবো । একটা আমার দৈনন্দিন কাজ কর্ম , ঘটনাবলি নিয়ে লেখা আমার লেখালিখি এবং অন্যটা আমার অন্যতম প্রিয় একজন ব্যক্তি, যার জন্য আমার আবার লেখক হওয়া তাকে নিয়ে আমার লেখা আমার মেমসাহেব । আশা করি দুটো লেখায় নিয়মিত চালিয়ে যেতে পারবো।

২২ জুল, ২০০৯

প্রথম বাংলা ব্লগ

আজ আমি প্রথম বাংলা ব্লগ লিখছি । নতুন কম্পিউটার কিনেছি এখন ও এক মাস হয়নি। অনেক আগে থেকেই বাংলা লিখতে পারি কিন্তু ব্লগ এ লেখার জন্য ইউনিকোড বাংলা দরকার। তাই ইউনিকোড বাংলা লেখা শেখাটা খুব জরুরি ছিল। আজ শিখতে পেরে খুব ভাল লাগছে। এখন থেকে নিয়মিত বাংলায় ব্লগ লিখব।

২৬ মে, ২০০৯

আমার বোন বিথীর HSC রেজাল্ট

আজ আমার বোনের পরীক্ষা রেজাল্ট প্রকাশিত হয়েছে। এ নিয়ে আমি কিছুটা টেনশনে ছিলাম। ও পেয়েছে জিপিএ ৪.০০। আমার আশানুরূপ ফলাফল হয়েছে, আমি খুশি হয়েছি।

২৮ মার্চ, ২০০৯

Visit BSC Digital Expo

Today I have visited in China friendship conference centre.There I meet with moon.After visting fair I meet with jahangir Sumon, my college friends after 7 years.

শেয়ার করুন

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More