স্বাগতম। আপনি এই ব্লগের counter তম পাঠক

ব্যক্তিগত জীবন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ব্যক্তিগত জীবন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২৫ এপ্রি, ২০১১

নিজেকে কি ভাবছি? মুক্ত না অসহায়!

আমার একমাত্র ছোট বোনের বিয়ে হয়ে গেল তড়িঘড়ি করে। একেবার যে তাড়াতাড়ি তা না, আমি গত সপ্তাহে বাড়িতে থাকতেই বুঝেছিলাম বিয়েটা খুব তাড়াতাড়ি হবে। একেবারে ইন্সটান্ট যে হবে তা ভাবি নি। আমি ঢাকায় থাকায় বিয়েতে থাকতে পারিনি। আমি খুব অবাক হয়ে গেছিলাম, আমি বড় ভাই আমি বাদেই বিয়েটা হয়ে গেল কত সহজে। আমি যে বাড়ির বড় ছেলে, আমার গুরুত্ব যে, কত খানি বাড়িতে তা এই প্রথম উপলব্ধি করলাম। দুপুর থেকে নিজেকে খুব অসহায় লেগেছে, কিন্তু সন্ধ্যার পর মনে হয়েছে আমি আসলে স্বাধীন হয়ে গেলাম, কেউ আমার খোজ নেয় না বা নিতে চায় না এবং আমার উপর খবরদারি ও করবে না। তাই কার্যত আমি স্বাধীন। তবে সব কিছুর পেছনে একটা ব্যকরণ কাজ করছে, সেটা হচ্ছে কেউ আর আমাকে আর্থিকভাবে সাহায্য করবে না এবং নিজের পায়ে নিজে দাড়াতে হবে।

২৩ এপ্রি, ২০১১

আকস্মিক ভাবে বিথীর বিয়ে হয়ে গেল

আমি অফিসে ছিলাম হঠাৎ কেয়ার ফোন পেলাম। ওর কাছ থেকে শুনলাম, বিথীর আজই বিয়ে এবং তাৎক্ষনিকভাবে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আমি প্রথমে বিশ্বাসই করিনি কারন আমাকে কেউ জানাই নি। এমনকি কেউ ফোনও করিনি। যেহেতু গত সাত-আট দিন ঘরে দেখাশোনা খোজ খবর চলছে, আমি জানতাম বিয়ে হয়তো তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে। কিন্তু আমাকে বাদেই সব কিছু হয়ে যাবে জানতাম না। যতোটা না অবাক হয়েছি হঠাৎ বিয়ে হওয়ার কারনে তার চেয়েও বেশি অবাক হয়েছি আমাকে কেউ জানাইনি তাই। আমি বিথীর বড় ভাই, আমাকে ছাড়াই সব কিছু হয়েছে। এখানে বাড়িতে আমার মর্যাদা, গুরুত্ব সবকিছু প্রশ্ন বিদ্ধ। আমি এমনটা বোকা না যে, আমাকে জানালে আমি বলতাম আমি ছাড়া বিয়ে হবে না, অন্ততঃ আমি রাতের গাড়িতে বাড়ি এসে পরদিন বিয়ের অনুষ্ঠান করে সেদিন রাতেই আবার ফিরে আসতে পারতাম। এতসব ঘটনায় আমি পুরোপুরি মানসিকভাবে ভেংগে পড়েছি, অনেক কষ্ট হচ্ছে। বার বার ওর কথা মনে হচ্ছে। আমার একমাত্র বোনের বিয়ে এভাবে হবে আমি স্বপ্নেও ভাবিনি, আব্বাকে বার বার বলেছিলাম একসপ্তাহ সময়তো নিতেই হবে। আমার কথাতো শুনেই নি বরং তড়িঘড়ি করে বিয়েটা দিয়ে দিল। এতদিন নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে করতাম, কিন্তু দেরি করে হলেও বুঝলাম ভাগ্য আমাকে নিয়ে কি খেলায় মেতেছে।

৮ ডিসে, ২০১০

আবার নিয়মতি লেখার চেষ্টা করছি

বেশ কিছু দিন ব্লগে লেখা হয় না। আবার কিছু লেখা পিসিতে রাখা আছে, সেগুলো ও পোষ্ট করা হয় না। ইদানিং অনেক সমস্যায় আছি, সবচেয়ে বড় সমস্যা মানসিক চাপ। সারাদিন ব্যস্ত থাকার চেষ্টা করি তাই তেমন কোন সমস্যা হয় না। কিন্তু রাতেই যত সমস্যা হাজারটা চিন্তা আর কষ্ট গুলো একসাথে বুকে জমাট বাধে। মাঝে মাঝ ভাবি এত কষ্ট সহ্য করবো কিভাবে, আবার ভাবি এইতো দিন কেটে যাচ্ছি। আজ সাত তারিখ গেল এমাসের প্রতিটা দিনই এমন কেটেছে যে এই ভাল আছি তো এই খারাপ। ১৪ তারিখ আমার জন্য অনেক ভালো একটা দিন বলে আমি মনে করি। আশা করি এমাসের ১৪ তারিখের মধ্যেই এত সমস্যার সুন্দর একটা সমাধান বের করবো। সমাধান বের না হলেও তো জীবন থেমে থাকবে না। জীবন বহমান তাই আমরাও চলমান।

২১ অক্টো, ২০১০

আজ আমি প্রথম ভাইভা দিলাম

আজ আমি চাকরির জন্য আমার প্রথম ভাইভা দিলাম। ফারুক ভাই আমাকে সিভি নিয়ে পল্টনের অফিসে আসতে বলেছিল। ভাইভা দিলাম, আশা করি চাকরি টা হবে।

৪ সেপ, ২০১০

আজ আমার জন্মদিন

আমার জন্মদিনের আগের কয়েকদিন আমার মেজাজ ফুরফুরে থাকে। জন্মদিনটির জন্য  অপেক্ষা করতে থাকি। কিন্তু জন্মদিন আসলে মনে হয় যে, আমার জন্মদিন টা তেমন কেউ জানে না। আবার যারা জানে তাদের অনেকেরই মনে থাকে না। তাই তেমন ফোন টোন পাই না। এবার আমি একজনের ফোনের অপেক্ষায় ছিলাম। কিন্তু সে ফোন করছিল না।

৮ জুন, ২০১০

আবার যোগাযোগ হল মৌসুমীর সাথে

বেশ কয়েক দিন আগে মৌসুমীর পুরোনো একটা নাম্বার থেকে মিসকল পেলাম। ভাবলাম সে মনে হয় এই নাম্বারটা ব্যবহার করে। কিন্তু তারপর থেকে কোন সময় নাম্বারটা খোলা পেলাম না। তাই ওর অন্য একটা নাম্বারে কল দিলাম,  কল গেল এবং আমার নং এখনো সে সেভ করে রেখেছে। ওর সাথে যোগাযোগ হল প্রায় ১৫ মাস পর। কিন্তু কথা বলে ভাল লাগা বা খারাপ লাগা তেমন কিছু  মনে হল না। তবে ওর মাঝে অনেক পরিবর্তন এসেছে। দেরিতে হলেও সে সুবোধ বালিকা হতে যাচ্ছে যেটা আমাদের অনেকেরই কাংখিত।

৪ জুন, ২০১০

সাদ্দাম মামার ঢাকায় আগমন

আমার নানা বাড়ির খালা, মামা প্রজন্মের শেষ বংশধর সাদ্দাম মামা এবছর এইচ এস সি পরীক্ষা দিল এবং ঢাকায় আসলো কোচিং করতে। আজ কবির মামা ফোন দিয়েছিল যে ও সাদ্দামকে আজ মেসে তুলবে । আমি আমার পরীক্ষার কারনে যেতে পারিনি।

২৫ মে, ২০১০

কেয়ার জন্মদিনে আমার উপহার

আজ কেয়ার জন্মদিন। আজকাল কারও জন্মদিনে কিছু দেওয়া হয় না। বড়জোড় ফেসবুকে অথবা ফোনে শুভেচ্ছা জানানো। বেশ কিছুদিন আগেই ভেবে রেখেছিলাম এবার কেয়ার জন্মদিনে কিছু একটা দিব। তাই জন্মদিনে ওকে দশ আইটেমের পঞ্চাশটি চকলেট দিয়েছি। সে খুব খুশি হয়েছে এবং বান্ধবীদের দিয়েছে।

২১ এপ্রি, ২০১০

যোগাযোগ

১. আমার সাথে যোগাযোগ করতে হলে নিম্নের যে কোন পদ্ধতি অবলম্বন করুন
২. ইমেল করুন:


২০ এপ্রি, ২০১০

গ্রুপ ও নেটওয়ার্ক

আমি ফেসবুকে কয়েকটা গ্রুপ ও নিং.কম এ কয়েকটা নেটওয়ার্ক খুলেছি। একই মতাদর্শ এবং কর্মকান্ডে জড়িত এমন সব ব্যক্তিদের জন্য আমি গ্রুপ ও নেটওয়ার্ক গুলো তৈরী করেছি। কোন গ্রুপের সদস্য সংখ্যা ১০০০ ছাড়িয়ে গেছে। আপনিও আমার গ্রুপ , নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হতে পারেন সহজেই। তাই দেরি না করে এখনই গ্রুপ ও নেটওয়ার্কে সদস্য হতে আলাদাভাবে ক্লিক করুন।
HTML clipboard



২ এপ্রি, ২০১০

প্রোফাইল

পুরো নাম: মো: হারুন-অর-রশিদ
ডাক নাম: বিপ্লব
জন্মস্থান:  উলাশী, শার্শা, যশোর
জন্ম তারিখ : ৪ঠা সেপ্টেম্বর ১৯৮৪
পিতার নাম: মো: রইচ উদ্দিন
বিদ্যালয়: বুরুজ বাগান মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এস.এস.সি ২০০০
কলেজ: যশোর ক্যান্টনমেনন্ট কলেজ, এইস.এস.সি ২০০২ 
বিশ্ববিদ্যালয়: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় , গণিত ২০০৯
বর্তমান অবস্থান : আজিমপুর, ঢাকা
শখ: ব্লগ লেখা, বই পড়া
স্বপ্ন: গণিতবিদ হওয়া

৮ ফেব, ২০১০

কেয়ার সাথে দেখা

বিভার মামতো বোন কেয়ার সাথে দেখা হল প্রায় তিন বছর পর। আমি ভার্সিটি থেকে আসার পথে দেখা, আমিতো চিনতেই পারিনি। ভাইয়া বলে ডাক দিল , মুখ না খুললে তো চিনতেই পারতাম না। অনেকদিন পর ওকে দেখে ভালো লাগলো, স্কুল জীবনের কথা মনে পড়লো। বিভা আমার সবচেয়ে কাছের বান্ধবী ছিল, তাই ওর কথাও মনে পড়ছিল।

৮ জানু, ২০১০

৪২ আলোকবর্ষ দূরের আরেক পৃথিবী! এবং চাঁদের আলোয় আমি

মহাবিশ্বে আমাদের এই পৃথিবীর মতো আরেকটি গ্রহ খুঁজে পাওয়ার দাবি করেছেন জ্যোতির্বিদেরা। তাঁরা জানিয়েছেন, ওই গ্রহটি আকারে পৃথিবীর চেয়ে বড়। তবে এটি ইউরেনাস ও নেপচুনের চেয়ে ছোট। এর ভূ-ভাগের অর্ধেকেরও বেশি পানিতে নিমজ্জিত।  বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী নেচার-এ প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে এ কথা জানানো হয়। কথিত ওই ‘সুপার আর্থ’-এর অবস্থান পৃথিবী থেকে ৪২ আলোকবর্ষ দূরে, আরেক সৌরজগতে। এর ব্যাসার্ধ পৃথিবীর চেয়ে ২ দশমিক ৭ গুণ বেশি। এর ভর পৃথিবীর চেয়ে প্রায় ৬ গুণ বেশি।
এটা ১৯-১২-২০০৯ এ প্রকাশিত। খবরটি পড়ে আমি খুবই আশ্চার্যিত হলাম কিন্তু তখন ও জানতাম না বা ভাবিনি যে আমি বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৮০০০(৭৯৯৬.১৩)কি.মি. দূরে আর একটা চাঁদের সন্ধান পাবো। চাঁদের আলো সাধারণত পৃথিবীকে আলোকিত করে কিন্তু এই চাঁদটি আমার জীবনকে আলোকিত করেছে, আজ ৮ই জানুয়ারী আমি তার সন্ধান পাই। আমি তার ডাকনাম বাদ দিয়ে তার নাম দিয়েছি MOON । কারন সে হচ্ছে My One Of Nearer। আশা করি সারা জীবন বন্ধুরমত তাকে কাছে পাবো। 

২২ নভে, ২০০৯

ঈদ এবং কিছু অনুভূতি

২৮ শে নভেম্বর ঈদ-উল-আযহা । আজ রবিবার গ্রামের বাড়ী যাচ্ছি। ঈদ মানেই খুশি, ঈদ মানেই আনন্দ। প্রতি ঈদে বাড়ি যায় আবার ফিরে আসি। এটা প্রায় একঘেয়েমি হয়ে গেছে। প্রতি ঈদ প্রায় এক রকম কাটে। একই ঘটনা বারবার ঘটে। তবে মামা বিয়ে করার পর থেকে ঈদের দিন একটু অন্য রকম কাটে। আমরা ভাই,বোনেরা মামার সাথে মামী বাড়ি যায়। ঈদে উল্লেখযোগ্য ঘটনা বলতে এটাই, যেটা ঘটে বারবার। যাহোক ঈদ মোটামুটি ভাল কাটে। তবে একটা ব্যাপারে মনটা অনেক বেশী অস্থির থাকে। যেমন গত বছর রোযার ঈদ এ অনেককে কল দিলাম, sms দিলাম তেমন কোন সাড়া পাইনি। অনেক রাগ হলো , পরের ঈদে তেমন কাউকে শুভেচ্ছা জানাইনি। এভাবেই ক্রমিক সংখ্যার মত ঈদ আসে ঈদ যায়। নদীর মত জীবন বয়ে চলে। অনুভূতিতে পলি জমে, বালি জমে কিন্তু জীবন স্রোত থেমে থাকে না। আবারও ঈদ আসে, অনুভূতিতে আবারো সাড়া জাগে। ভালো লাগা কোন কন্ঠ আবারো কানে বাজে, পুরনো হারানো সুর আবার নতুন নতুন মনে হয়। তবে বেশী দিন স্থায়ী হয় না। ঢাকায় আসার পর আবার সব কিছু ফাঁকা ফাঁকা লাগে। ট্রাফিক জ্যামে, গাড়ির শব্দে সব সুর হারিয়ে যায়। আবারো সেই পুরনো আমি হয়ে যায়। গত রোজার ঈদে ভাবলাম আমি কাঊকে ফোন দিবো না। আমার ব্যাথাহত হৃদয়ে কারোর ফোন পাওয়ার আশা ছিল ক্ষীণ। ভাবলাম হাতে গোনা কয়েকজন বন্ধুকে কল দিব, দেখি বাকিরা কি করে। আমি সারাদিন যাদের কলের অপেক্ষায় থাকলাম তারা কেঊ ফোন দিল না। আমাদের বিশ্বজিৎ দাদা জাপান থেকে কল দিল। আহ কি কী যে ভালো লাগলো । তারপর আরো একটি কল আসলো আমার ভার্সিটির বান্ধবী উর্মির কাছ থেকে যার সাথে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়। এভাবে অপ্রত্যাশিত ঘটনাগুলো ঘটে কোন কারন ছাড়ায়, জীবন চলে যায় কোন নিয়ম ছাড়ায়। এবারো ঈদে আমি আমার বিশেষ নির্বাচিত ব্যাক্তদের ফোনের অপেক্ষায় থাকবো, যাদের ফোন দেওয়া সম্ভব তাদের ফোন দিব। ঈদের দিন আমার ভার্সিটির বন্ধুরা, আমার তাসনুভা আপু, ক্লাইমেক্স, নিপ্পন,বাসন্তি (ছদ্দনাম), কামরুল, জাবির,উর্মি, ছোট ভাই-বোন আলামিন, তনু, জয় , আক্তার ও অন্যানেদের খুব মিস করবো। বিশেষ কারোর কল না পেয়ে হয়তো সারাদিন মন খারাপ থাকবে। তারপরও হাজারো পরিচিতোর মাঝে হয়তো কারোর কল পেয়ে মনটা খুশিতে ভরে যাবে, ক্ষনস্থায়ী সুখের মাঝে আমি ডুব দিব। এটায় আমার ঈদের অনুভূতি, আমার অনুভুতির নেটওয়ার্ক।

৪ সেপ, ২০০৯

আজ আমার জন্মদিন

৪ঠা সেপ্টেম্বর আমার জন্মদিন, গত বছরের মত এবার ও রমজান মাসের মধ্যে রোজা পড়লো। এবার আমাকে তেমন কেউ ফোন করে শুভেচ্ছা না জানালেও ফেসবুকে প্রায় ৫০ জন আমার ওয়ালে শুভেচ্ছা জানাইছে। তাই দিনটি খুব ভালো কেটেছে। আর আমি আমার আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব প্রায় সবাই কে কল করেছি।

২৫ মার্চ, ২০০৯

Some unexpected phone call to me

From three/four days I am receiving many phone calls of girls from unknown number at night. They tell me that they dialed my number trially & I have received the call. I am unknown to them & they want to introduce with me. I don’t know who are they & why they called me. I want to escape from the situation. I am thinking for the solution.

১৪ মার্চ, ২০০৯

Separation with Mousumi

11 , 12th March Mousumi behave rudely with me.She told that Why I cal her?What is relation between us? Can a girl be a friend of a boy? On 13th March I told her if she dislike me , tell me directly & then I never call her.The call was my last call to her.Now we are discanned.

১৫ ফেব, ২০০৯

A cool thought

Life is not virtual, life is practical. We have emotions, feelings. We have also sorrow, happiness, success, success, failure. We think many thinks but do something. In my practical & personal life I communicate with Mukta, Rumi, Moon, Mousumi etc. They are our local girl. I never think of any relationship about them with me. Most of the time I phoned them but a very few time they call me. It makes me disappointed. So I have decided to never call them without important cause. I want to tell about Mousumi specially. Once upon a time she was my inspiration but she is always silence to me. I wanted to be her friend. So we have right to express ourselves. But sometimes she response me, sometimes is silent. She tells me that she will be happy I never call her. It is not a behavior of friendship. So I have decided that from today I never call any girl without important work.

১৪ ফেব, ২০০৯

Valentines Day

Today is Valentines Day. Whole day I stay in my room. I don’t call or meet with any girl.

১৩ ফেব, ২০০৯

meet with Rumi

Toadey I meet with Rumi in Azimpur.We stay few hours.It was a nice personal meeting.

শেয়ার করুন

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More