স্বাগতম। আপনি এই ব্লগের counter তম পাঠক

আমার মেমসাহেব লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আমার মেমসাহেব লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

১২ নভে, ২০০৯

আমার মেমসাহেব- ১.২

"মেমসাহেব তোমার স্বাধীনতা, তোমার উচ্ছলতা আমার সব সময় ভালোলাগে। তাইতো আমি দূরে থেকেও ভাবি তুমি আছো কাছে"
আমার লেখার মাঝে ছন্দপতন হচ্ছে, আমি মনোযোগ হারিয়ে যাচ্ছে। তাই আমি মেমসাহেবকে নিয়ে ভাবছি কিন্তু লিখতে পারছি না। আমার লেখার বিষয়বস্তু সে আমার লেখার ছন্দপতনের কারনও সে। কয়েকদিন ধরে তার সাথে তেমন কোন যোগাযোগ হয় না। তাই মনটা একটু খারাপ । আমার ভার্সিটি ক্যাম্পাস, আমার চেনা প্রিয় জায়গাগুলোতে কোথাও মেমসাহেবকে কোন স্মৃতি নেই। যদি কোন পার্ক, কোন নির্জন প্রকৃতির মাঝে তাকে নিয়ে আমার কোন সুখ স্মৃতি থাকতো তাহলে আমি এখন একা একা সেই জায়গাগুলোতে ঘুরতাম, প্রকৃতির মাঝে তাকে খুঁজতাম, তার কথা ভাবতাম। হয়তো আমার মন ভাল হয়ে যেত। মানুষের কত বাস্তবতাকে মেনে নিতে হয়। আমি মেমসাহেবকে নিয়ে এলোপাথারি ভাবছি, আবার ভাবনা গুছিয়ে গুছিয়ে লেখার চেষ্টা করছি কিন্তু সে হয়তো আমার কথা একবারও ভাবছে না। এটাই বাস্তব, এটাই সত্য, এটাই স্বাভাবিক। মেমসাহেবের সাথে কথা বলতে না পেরে আমি লেখায় জ্বালানি পাচ্ছি না। কেরোসিনের বাতিতে কেরোসিন ফুরিয়ে যাবার আগে যেমন জ্বলে তেমনি আমার লেখাও তেমনি চলছে। কালের বিবর্তনে কতো কিছু পুরনো হয় কিন্তু মেমসাহেব আমার কাছে পুরনো হয় না। এটায় আমার বড় সমস্যা। আমি সুস্থ্ আছি, লিখছি, তাকে নিয়ে ভাবছি - এটা ভাবতে ও ভাল লাগে। তাই তাকে নিয়ে আমার ভাবনাগুলো কখনো মৃত করি না। ঝটপট লিখে ফেলি। এভাবেই চলছে জীবন, এভাবেই চলে আমাদের জীবন। মেমসাহেব তোমরা ভাল থেকো, আমরাও ভাল থাকবো।

৭ নভে, ২০০৯

আমার মেমসাহেব- ১.১

"জীবনে দুইটা ট্রাজেডী আছে । একটা মনের ইচ্ছা পূর্ণ না হওয়া এবং অপরটা অনেক কষ্টের পর তা পূর্ণ হওয়া "। কোন কাজের ক্ষেত্রে যদি দুইটা ট্রাজেডী একসাথে ঘটে তাহলে কষ্ট হলেও শেষমেষ সফল হওয়া যায় । আমার লেখাটার ক্ষেত্রেও যেন তেমনটি ঘটে। অনেক জল্পনা-কল্পনা, অপেক্ষার পর আমি লিখতে যাচ্ছি আমার মেমসাহেব । নিমাই ভট্টাচার্য মেমসাহেব লিখেছিলেন ১৩৭৩ বঙ্গাব্দের শ্রাবণে আর আমি লিখছি ২৩ কার্তিক ১৪১৬ , চল্লিশ বছর পর । আমার লেখাটা আসল 'মেমসাহেব' উপন্যাসের সিক্যুয়াল বলা যেতে পারে। আমি আমার উপন্যাসের নামের শিরোনামে 'আমার 'শব্দটা যোগ করেছি। প্রথম আলোর ছুটির দিনে প্রকাশিত ঢাকা ভার্সিটির এক মেয়ের লেখার কথা মনে পড়ে গেল । তার লেখার শিরোনাম ছিল আমার চে । সে তার প্রেমিকের কথা তার লেখায় লিখেছিল ।সে তার প্রেমিককে চে গুয়েভারার সাথে তুলনা করেছিল। তাই তার লেখার শিরোনাম ছিল আমার চে। সে বেশ আগের কথা। তখন থেকেই আমার মাথায় চিন্তা ছিল আমি ও আমার প্রিয় কাঊকে নিয়ে লিখব। তাই আমিও আমার মেম সাহেবকে নিয়ে লেখা শুরু করলাম। মেম সাহেব আমার বাস্তবের মেম সাহেব না। সে আমার সাহিত্যের মেমসাহেব, আমার লেখার কাঁচামাল। সে হয়তো আমার লেখার পাঠক ও হবে একদিন। সে যদি কোনদিন আমার লেখার পাঠক হয় তবে তার উদ্দেশ্যে আমি বলবো তুমি আমার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখো। তাহলে আমার লেখা অনেক সুন্দর হবে এবং লেখাটা অনেক দূর পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারব। আমার লেখার বিষয়বস্তু মেমসাহেব যদি ভবিষ্যতে আমার বাস্তবের মেমসাহেব নাও হয় তাহলেও আমার দুঃখ নেই । আমার লেখা বেঁচে থাকবে আমার কাছে, পাঠকের মাঝে আজীবন।

শেয়ার করুন

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More